1. admin@protidinershikkha.com : admin :
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিক্ষকদের অবজ্ঞা করা বা তুচ্ছ ভাবা সরকারের জন্য হতে পারে বুমেরাং! শিক্ষা জাতীয়করণ সময়ের দাবী এমপিও শিক্ষকরা শুধু ফারসি ‘বে’ উপসর্গটির বিলুপ্তি চাচ্ছে! সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করলেন জি.এম কাদের যশোরে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো শিক্ষকদের প্রশংসায় ভাসছেন ৬ সংসদ সদস্য বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে শিক্ষা জাতীয়করণের অসমাপ্ত কাজ জননেত্রী শেখ হাসিনাকেই সমাপ্ত করতে হবে বিশেষ অনুদানের টাকা পাচ্ছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শতভাগ উৎসব ভাতার দাবীতে ইতিবাচক সাড়া মেলেনি হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজে এ্যাসাইনমেন্ট বিতরণের সময়-সূচি প্রকাশ

শিক্ষকদের অবজ্ঞা করা বা তুচ্ছ ভাবা সরকারের জন্য হতে পারে বুমেরাং!

প্রশাসন
  • সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৮২ বার পঠিত
সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফজর আলীঃ

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে MPO ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী, বেসরকারি অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক, NTRCA কর্তৃক শিক্ষক নিয়োগ ইত্যাদি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ন্যায্য বিষয় নিয়ে অনেক সম্মানিত সংসদ সদস্য কথা বলা সত্ত্বেও শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় সে সম্পর্কে সংসদে একটি কথাও বলেননি। এটা গণতান্ত্রিক সরকারের আচরণ নয়।
ইতোপূর্বে শিক্ষক সংগঠন গুলো অনেক বার স্মারকলিপির মাধ্যমে, মানববন্ধন করে, অনশন করে তাদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়গুলো শান্তিপূর্ণ ভাবে সরকারকে অবহিত করেছে। শিক্ষকরা কিন্তু কোনো উশৃঙ্খল আচরণ প্রদর্শন করেনি। তবে আগ্নেয়গিরি কিন্তু উত্তপ্ত হচ্ছে; যেকোনো সময় লাভা উদগীরন হতে পারে!
কিছু কিছু করে হলেও তো বৈষম্য কমিয়ে আনা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি স্কুল-কলেজ, প্রাথমিক বিদ্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আপাদমস্তক কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট, অবসর সুবিধা বোর্ড এসকল পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের দুই ঈদে উৎসব ভাতা মূল বেতনের ১০০%, MPO ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ৫০%; অথচ MPO ভুক্ত শিক্ষকদের ২৫%। এ বৈষম্য তো যেকোনো সচেতন মানুষেরই চোখে পড়ার মতো। দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে MPO ভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দুই ঈদে ১০০% উৎসব ভাতা প্রদানের জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন তা কোনো ব্যাপারই নয়। তারপরও এধরণের ছোটখাটো সমস্যার সমাধান করা হচ্ছে না। এমন কি, এনিয়ে কোনো কথাও বলা হচ্ছে না। কথা বলে, কিছু দিয়ে, কিছু শান্তনা দিয়ে মানুষকে অনুগত রাখার মধ্যেই তো যোগ্যতা। কথা না বলে, ভাব ধরে থাকার মধ্যে তো কোনো যোগ্যতা বা রাজনীতি আছে বলে মনে হয় না।
জাতি গঠনের কারিগর শিক্ষকদের অবজ্ঞা করা বা তুচ্ছ ভাবা মোটেও ঠিক নয়। শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গকে যারা হেয় করছে, তাঁদের অধিকারকে একেবারেই মূল্য দিচ্ছে না তারা এ সরকারের ভালো চায় বলে আমি মনে করি না। কারণ জাতি গঠনের কারিগর শিক্ষকদের তথা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের দূরে সরিয়ে দিয়ে সরকারকে বন্ধুহীন করে ফেলা হচ্ছে। তাছাড়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করা হচ্ছে, যা নাকি আমাদের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পরিপন্থী; এমনকি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সাথে তা যায় না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকারের বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে এবং শিক্ষক সমাজকে কাছে টেনে নিতে বিনীত অনুরোধ করছি। শিক্ষা পরিবারের অভিভাবক যেহেতু তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন না, তাদের নিয়ে কোন টেনশন করেন না; পুরো জাতির অভিভাবক হিসেবে বিষয় গুলো আপনাকেই দেখতে হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা